সূরা হাশর
সূরা আল-হাশর আল কুরআন মাজীদের ৫৯নং সূরা। এ সূরাটি মদীনায় অবতীর্ণ হয়। সূরা আল হাশরের হাশর আরবি শব্দ, যার অর্থ সমাবেশ করা বা সমাবেত হওয়া । আমরা এখন সূরা আল-হাশরের শেষ তিন আয়াত অর্থাৎ ২২,২৩ ও ২৪ নং আয়াত নিয়ে আলোচনা করব।
সুপ্রিয় পাঠক, RANDOM SPEECH এর এই আর্টিকেলে সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ ও ফযিলত সম্পর্কে আলোচনা করা হবে......
সূরা হাশরের বাংলা উচ্চারণ
২২) হু আল্লা হুল্লাজী লা (আ) ইলাহা ইল্লা হু।আলিমুল গাইবী ওয়াশ শাহাদাতী হুয়াররাহমানুর রাহীম ২৩) হু আল্লা হুল্লাজী লা(আ) ইলাহা ইল্লা হু। আল মালিকুল কুদ্দুসুস সালামুল ম্যু মিনুলমুহাইমিনুল আজিজুল জাব্বারুল মুতাকাব্বির।ছুব হানাল্লাহী আম্মা ইউশরিকুন ২৪) হু আল্লাহুল খালেকুল বারিয়্যুলমুছাও রেলাহুল আছমা(আ)উল হুছনা। ইউছাব্বিহু লাহু মা ফিছ ছামা ওয়াতি ওয়ালআরদ্ ওয়া হুয়াল আজীজুল হাকীম।
সূরা হাশরের বাংলা অনুবাদ
২২) তিনিই আল্লাহ্, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই, তিনি অদৃশ্য ও দৃশ্যের পরিজ্ঞাতা; তিনি দয়াময়, পরম দয়ালু ২৩) তিনিই আল্লাহ্ তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই। তিনিই অধিপতি, তিনিই পবিত্র, তিনিই শান্তি, তিনিই নিরাপত্তা বিধায়ক, তিনিই রক্ষক, তিনিই পরাক্রমশালী, তিনিই প্রবল, তিনিই অতীব মহিমান্বিত। উহারা যাহাকে শরীক স্থির করে আল্লাহ্ তা হইতে পবিত্র, মহান।২৪) তিনিই আল্লাহ্ সৃজনকর্তা, উদ্ভাবনকর্তা, রূপদাতা, তাঁহারই সকল উত্তম নাম। আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে, সমস্তই তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
সূরা হাশরের বাংলা অর্থসহ উচ্চারণ
بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِ
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
বাংলা অর্থ: শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
শেষ প্রথম আয়াত
هُوَ اللّٰهُ الَّذِىْ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ ۚ عٰلِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ ۚ هُوَ الرَّحْمٰنُ الرَّحِيْمُ
বাংলা উচ্চারণ: হু আল্লা হুল্লাজী লা (আ) ইলাহা ইল্লা হু।আলিমুল গাইবী ওয়াশ শাহাদাতী হুয়াররাহমানুর রাহীম।
অর্থ: তিনিই আল্লাহ্, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই, তিনি অদৃশ্য ও দৃশ্যের পরিজ্ঞাতা; তিনি দয়াময়, পরম দয়ালু।
ইংরেজিতে : He is Allah, than Whom there is La ilaha illa Huwa (none has the right to be worshipped but He) the All-Knower of the unseen and the seen (open). He is the Most Beneficent, the Most Merciful.
শেষ দ্বিতীয় আয়াত
هُوَ اللّٰهُ الَّذِىْ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَۚ اَلْمَلِكُ الْقُدُّوْسُ السَّلٰمُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ الْعَزِيْزُ الْجَـبَّارُ الْمُتَكَبِّرُؕ
سُبْحٰنَ اللّٰهِ عَمَّا يُشْرِكُوْنَ
বাংলা উচ্চারণ: হু আল্লা হুল্লাজী লা(আ) ইলাহা ইল্লা হু। আল মালিকুল কুদ্দুসুস সালামুল ম্যু মিনুলমুহাইমিনুল আজিজুল জাব্বারুল মুতাকাব্বির।ছুব হানাল্লাহী আম্মা ইউশরিকুন।
অর্থ: তিনিই আল্লাহ্ তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই। তিনিই অধিপতি, তিনিই পবিত্র, তিনিই শান্তি, তিনিই নিরাপত্তা বিধায়ক, তিনিই রক্ষক, তিনিই পরাক্রমশালী, তিনিই প্রবল, তিনিই অতীব মহিমান্বিত। উহারা যাহাকে শরীক স্থির করে আল্লাহ্ তা হইতে পবিত্র, মহান।
ইংরেজিতে : He is Allah than Whom there is La ilaha illa Huwa (none has the right to be worshipped but He) the King, the Holy, the One Free from all defects, the Giver of security, the Watcher over His creatures, the All-Mighty, the Compeller, the Supreme. Glory be to Allah! (High is He) above all that they associate as partners with Him.
শেষ তৃতীয় আয়াত
هُوَ اللّٰهُ الْخَـالِـقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ لَـهُ الْاَسْمَآءُ الْحُسْنٰىؕ يُسَبِّحُ لَهٗ مَا فِى السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضِۚ وَهُوَ الْعَزِيْزُ الْحَكِيْمُ
বাংলা উচ্চারণ: হু আল্লাহুল খালেকুল বারিয়্যুলমুছাও রেলাহুল আছমা(আ)উল হুছনা। ইউছাব্বিহু লাহু মা ফিছ ছামা ওয়াতি ওয়ালআরদ্ ওয়া হুয়াল আজীজুল হাকীম।
অর্থ: তিনিই আল্লাহ্ সৃজনকর্তা, উদ্ভাবনকর্তা, রূপদাতা, তাঁহারই সকল উত্তম নাম। আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে, সমস্তই তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
ইংরেজিতে : He is Allah, the Creator, the Inventor of all things, the Bestower of forms. To Him belong the Best Names. All that is in the heavens and the earth glorify Him. And He is the All-Mighty, the All-Wise.
সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াতের ফযিলত ও গুরুত্ব
হযরত মাকাল বিন ইয়াসার (রাঃ) রাসূল (সাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেছেনঃ
- যে ব্যক্তি ফযর নামাযের পরে সুরা হাশরের সর্বশেষ তিন আয়াত পাঠ করিবে আল্লাহ তায়ালা তাহার জন্য ৭০ হাজার ফেরেশতা নিযুক্ত করে দিবেন, তারা সন্ধ্যা পর্যন্ত পাঠকারীর জন্য রহমতের দোয়া করবে।
- যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় এভাবে পাঠ করিবে সূর্যাস্ত থেকে সুবহে সাদেক পর্যন্ত রাব্বুল আল’আমিনের কাছে ওই ব্যক্তির জন্য মাগফিরাত বা ক্ষমা প্রার্থনা করবে।যেদিন এই আয়াত তিনটি পাঠ করিবে সেদিন পাঠকারী মারা গেলে শহীদের মউত হাসিল করিবে। (তিরমিজী)